কাদের জন্য এই কোর্সটি?

অফিসে ধীর টাইপিং মানে রিপোর্ট, ইমেইল বা ডাটা এন্ট্রিতে সময় নষ্ট ও কাজের চাপ বেড়ে যাওয়া। দ্রুত ও নির্ভুল টাইপিং শুধু আপনার কাজের গতি বাড়াবে না, বরং বসের কাছে আপনার ভ্যালুও বাড়াবে। ডিজিটাল যুগে এই স্কিল থাকলে বর্তমান চাকরি হোক বা ভবিষ্যতের সুযোগ—সবখানেই আপনি এগিয়ে থাকবেন।

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সময়ই টাকা। ধীর টাইপিং মানে প্রজেক্ট শেষ করতে দেরি, আয় কমে যাওয়া আর ক্লায়েন্ট হারানোর ঝুঁকি। দ্রুত ও নির্ভুল টাইপিং আপনার কাজের স্পিড বাড়াবে, আউটপুট দ্বিগুণ করবে এবং সময়মতো ডেলিভারির মাধ্যমে ক্লায়েন্টের আস্থা জিততে সাহায্য করবে।

নিজের ব্যবসায় সময় বাঁচানো মানেই দ্রুত সিদ্ধান্ত ও বেশি কাজ সম্পন্ন করা। ধীর টাইপিংয়ে ইমেইল, প্রপোজাল বা ডকুমেন্ট তৈরি করতে সময় নষ্ট হয়, যা ব্যবসার গতিকে থামিয়ে দেয়। দ্রুত ও নির্ভুল টাইপিং আপনাকে কাজের গতি দেবে, কম সময়ে বেশি আউটপুট এনে দেবে এবং আপনার টিমের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস বানাবে।

প্রোডাক্ট লিস্টিং, কাস্টমার মেসেজ বা অর্ডার প্রসেসিং—সবকিছুতেই দ্রুত টাইপিং সময় বাঁচায় এবং কাজের মান বাড়ায়। ধীর টাইপিংয়ে অর্ডার ডিলে হয়, কাস্টমার অসন্তুষ্ট হয় এবং বিক্রিতে প্রভাব পড়ে। দ্রুত ও নির্ভুল টাইপিং আপনাকে বেশি অর্ডার হ্যান্ডেল করতে এবং ব্যবসাকে দ্রুত এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

কন্টেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপনের কপি লেখা বা ক্যাম্পেইন রিপোর্ট তৈরি—সব ক্ষেত্রেই দ্রুত টাইপিং আপনার উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। ধীর টাইপিং মানে ডেডলাইনের চাপ আর কাজের মানে প্রভাব। দ্রুত ও নির্ভুল টাইপিং আপনাকে কম সময়ে বেশি কাজ শেষ করতে এবং মার্কেটিং রেজাল্ট দ্রুত পেতে সহায়তা করবে।

স্ক্রিপ্ট লেখা, ব্লগ পোস্ট বা সোশ্যাল মিডিয়ার কন্টেন্ট তৈরি—সব কিছুতেই দ্রুত টাইপিং সময় বাঁচায় এবং আইডিয়া হারানোর সুযোগ কমায়। ধীর টাইপিং মানে আইডিয়া নোট করার আগেই ভুলে যাওয়া ও কাজ পিছিয়ে যাওয়া। দ্রুত ও নির্ভুল টাইপিং আপনাকে ক্রিয়েটিভ আউটপুট বাড়াতে এবং নিয়মিত কন্টেন্ট ডেলিভার করতে সাহায্য করবে।

যারা নতুন স্কিল শিখে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য দ্রুত টাইপিং হলো বেসিক কিন্তু শক্তিশালী হাতিয়ার। ধীর টাইপিং শেখার গতি কমিয়ে দেয় এবং অনলাইন ট্রেনিং বা প্র্যাকটিসে সময় নষ্ট করে। দ্রুত ও নির্ভুল টাইপিং আপনাকে শেখার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এবং নতুন স্কিল দ্রুত কাজে লাগাতে সহায়তা করবে।

কেউ থাকে স্কিলড, কেউ থাকে বেস্ট স্কিলড—আর তারপর আসে তাদের থেকেও এগিয়ে থাকা মানুষ, যারা অন্য লেভেলের। এই জায়গায় পৌঁছাতে হলে শুধু একটাই স্কিল নয়, বরং মাল্টি-স্কিলে পটেনশিয়ালাইজড হতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো আপনাকে সেই শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া, যেখানে আপনার গতি, নির্ভুলতা ও উৎপাদনশীলতা অন্যদের চেয়ে সবসময় এগিয়ে থাকবে।
Frequently Asked Questions…
৩০ দিনের কী-বোর্ড টাইপিং মাস্টারি কোর্সে আপনি দুই ভাষার টাইপিং-ই শিখবেন। শুরুতে আপনাকে ইংরেজি টাইপিং শেখানো হবে, যাতে হাতের গতি ও কীবোর্ড কন্ট্রোল ভালো হয়। এরপর ধাপে ধাপে বাংলা টাইপিং শেখানো হবে।
কোর্সে আপনি দুটোই শিখবেন। প্রথমে বিজয় কিবোর্ড শেখানো হবে, যাতে বাংলায় দ্রুত ও সঠিকভাবে টাইপ করতে পারেন। এর পর অভ্র কিবোর্ড শেখানো হবে, যাতে আপনি সব ধরনের বাংলা লেআউটের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেন।
এই কোর্সটি সম্পূর্ণ লাইভে হবে। লাইভ শেখার মাধ্যমে আপনি সরাসরি শিক্ষককে প্রশ্ন করতে পারবেন, সাথে সাথে আপনার টাইপিং কৌশল ও ভুল ত্রুটি ঠিক করতে পারবেন। অনেক রেকর্ডেড কোর্সে সময়মতো নির্দেশনা না থাকায় শিক্ষার্থী ধীরে শেখে এবং ভুল ধরে ঠিক করতে পারে না। তাই লাইভ ক্লাসের সুবিধা আপনার শেখার গতি ও দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।
হ্যাঁ, সব লাইভ ক্লাসের রেকর্ডেড ভিডিও আপনাকে দেওয়া হবে। ইনশাআল্লাহ লাইভ ক্লাসে প্র্যাকটিস করার মাধ্যমে সব বিষয় শেখা হয়ে যাবে, তারপরও চাইলে আপনি রেকর্ডগুলো পুনরায় দেখে এক্সট্রা প্র্যাকটিস করতে পারবেন এবং আরও ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।
কোর্সে যেকোনো বিষয় বুঝতে অসুবিধা হলে আপনি প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে ইন্সট্রাক্টরের সঙ্গে মেসেজ করে সাহায্য নিতে পারবেন। যদি মেসেজের মাধ্যমে সমাধান না হয়, তখন আপনি লাইভ সাপোর্ট নিতে পারবেন, যেখানে Zoom বা Google Meet ব্যবহার করে সরাসরি প্রবলেম সলভ করতে পারবেন। এতে শেখার কোনো ধাপ বাদ যাবে না এবং দ্রুত দক্ষতা অর্জন সম্ভব হবে।
না, কোর্সটি করার জন্য পূর্বের কোনো অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আপনি যদি কম্পিউটার চালাতে না জানেন, তাও সমস্যা নেই। কোর্সে শুরু থেকে শেখানো হবে—কিবোর্ড ধরার পদ্ধতি, মাউস ব্যবহার, এবং বেসিক কম্পিউটার নলেজ—সবকিছু ধাপে ধাপে বুঝিয়ে শেখানো হবে। তাই নতুন শিক্ষার্থীও সহজেই অংশ নিতে এবং দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।
হ্যাঁ, ইনশাল্লাহ ৩০ দিনের মধ্যে আপনি বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং দুটোই শিখতে পারবেন। এজন্য শুধুমাত্র লাইভ ক্লাসে উপস্থিত থেকে ইন্সট্রাক্টরের সঙ্গে প্র্যাকটিস করলেই যথেষ্ট, অতিরিক্ত করার প্রয়োজন নেই। আর অতিরিক্ত অনুশীলন করলে, এটি আপনাকে আরও দক্ষ টাইপার করে তুলবে।
এই কোর্স করার জন্য কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকা সবচেয়ে সুবিধাজনক। এতে লাইভ ক্লাসে অংশ নেওয়া এবং প্র্যাকটিস করা সহজ হয়। চাইলে আপনি মোবাইল ব্যবহার করেও কোর্স করতে পারেন, তবে মোবাইল ব্যবহার করলে আপনাকে OTG (On-The-Go) অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করে মাউস ও কীবোর্ড কানেক্ট করতে হবে, যাতে টাইপিং প্র্যাকটিস সঠিকভাবে করতে পারেন। মূলত, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সবচেয়ে সুবিধাজনক, মোবাইলের ক্ষেত্রে একটু প্রস্তুতি নিতে হবে।
হ্যাঁ, মোবাইল দিয়েও কোর্স করা সম্ভব। তবে মোবাইল ব্যবহার করলে আপনাকে USB বা ওয়্যারলেস অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করে মাউস ও কীবোর্ড কানেক্ট করতে হবে। এতে লাইভ ক্লাসে অংশ নেওয়া এবং প্র্যাকটিস করা সহজ হবে, আর টাইপিং অভ্যাসও ঠিকভাবে হবে।
না, এক্সট্রা সময় দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। লাইভ ক্লাসে ইন্সট্রাক্টরের সঙ্গে প্র্যাকটিস করলেই ইনশাল্লাহ আপনি সঠিকভাবে শিখতে পারবেন। তবে চাইলে আপনি অতিরিক্ত টাইপিং অনুশীলন করে আরও দক্ষতা বাড়াতে পারেন। মূলত, লাইভ ক্লাসেই প্র্যাকটিস করলে শেখার জন্য যথেষ্ট হবে।
হ্যাঁ, বোনাস হিসেবে আপনি দুইটি ডিমান্ডিং কোর্স পাবেন:
১. লাইভ ই-কমার্স ফান্ডামেন্টাল – এতে ই-কমার্সের বেসিক ধারণা, অনলাইন শপ সেটআপ এবং কার্যকর স্ট্র্যাটেজি শেখানো হবে।
২. লাইভ ই-কমার্স এক্সেল – এতে ই-কমার্স ডেটা ম্যানেজমেন্ট, অর্ডার ট্র্যাকিং এবং এক্সেল ভিত্তিক বিশ্লেষণ শিখানো হবে।
এই বোনাস কোর্সগুলো কীবোর্ড টাইপিংয়ের পাশাপাশি আপনার অনলাইন ও বিজনেস দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করবে।
৮০% ডিসকেউন্টে সিট সংখ্যা পূর্ণ হওয়ার আগেই